নারী উদ্যোক্তাদের প্রতিষ্ঠানে কর্মসংস্থান বেশি

নারী উদ্যোক্তাদের প্রতিষ্ঠানে কর্মসংস্থান বেশি
নারী উদ্যোক্তাদের প্রতিষ্ঠানে কর্মসংস্থান বেশি
বাংলাদেশে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প-প্রতিষ্ঠানগুলো (এসএমই) গত পাঁচ বছরে গড়ে ১০৫ দশমিক ৭ শতাংশের বেশি নতুন চাকরির সুযোগ তৈরি করেছে যার অধিকাংশ কর্মসংস্থান হয়েছে নারী উদ্যোক্তাদের প্রতিষ্ঠানে। এই হার প্রায় ১৪৬ দশমিক ২ শতাংশ।

এসএমই খাতের প্রতিষ্ঠানে কর্মসংস্থান দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। সাথে কর্মীদের বেতনও বৃদ্ধি পাচ্ছে। বেতন বৃদ্ধি হওয়ায় নারী উদ্যোক্তাদের প্রতিষ্ঠানে কর্মসংস্থান বেশি।
আর্থিক প্রতিষ্ঠান আইডিএলসি ফাইন্যান্স ও গবেষণা সংস্থা পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) এক যৌথ গবেষণায় কিছু তথ্য উঠে এসেছে। 

আইডিএলসি ফাইন্যান্সের ৭৮২ এসএমই উদ্যোক্তার ওপর ‘কর্মসংস্থান তৈরিতে ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীদের ভূমিকা’ শীর্ষক এক গবেষণা করেন তারা। পিআরআইয়ের নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর ও পরিচালক বজলুল হক খন্দকার এই গবেষণার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত ছিলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক সায়েমা হকের সঞ্চালনায় আয়োজিত একটি অনলাইন অনুষ্ঠানে গবেষণার ফলাফল তুলে ধরেন বজলুল হক খন্দকার।

গবেষণার ফলাফলে বলা হয়, এসএমই খাতের মধ্যে সবচেয়ে বেশি কর্মসংস্থান হয়েছে সেবা খাত-সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে। এই হার ১৭৪ শতাংশ। এ ছাড়া শিল্পে ১৩১ শতাংশ, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে ৭৪ শতাংশ, কৃষিভিত্তিক প্রতিষ্ঠানে ৩০ শতাংশ হারে কর্মসংস্থান হয়েছে। এর মধ্যে বেতন-ভুক্ত কর্মচারীর সংখ্যা বেড়েছে ১৩৪ শতাংশ হারে, দৈনিক-ভিত্তিক কর্মসংস্থান হয়েছে ৯৪ শতাংশ হারে ও পারিবারিক শ্রমের কর্মসংস্থান হয়েছে ৪৬ শতাংশ। 

বাংলাদেশে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প-প্রতিষ্ঠানগুলো (এসএমই) গত পাঁচ বছরে গড়ে ১০৫ দশমিক ৭ শতাংশের বেশি নতুন চাকরির সুযোগ তৈরি করেছে যার অধিকাংশ কর্মসংস্থান হয়েছে নারী উদ্যোক্তাদের প্রতিষ্ঠানে। এই হার প্রায় ১৪৬ দশমিক ২ শতাংশ। এসএমই খাতের উদ্যোক্তারা প্রথমে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ব্যবসা শুরু করেছিলো। শুরুর দিকে মাত্র দেড় শতাংশ প্রতিষ্ঠান ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে ঋণ-সহায়তা পেয়েছে। পরে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে নতুন কর্মী যুক্ত হয়ে আরও বড় ক্ষেত্র হয়ে উঠেছে দেশের এই প্রতিষ্ঠানগুলো।