পূূ জা য় পূ জা য় তা র কা রা

পূূ জা য়  পূ জা য়  তা র কা রা
জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায় [ অভিনেতা ] আমি একেবারেই পরিকল্পনাহীন মানুষ। আজকে সূর্য উঠলে আজকেই ঠিক করি, কী করব। আর ধর্ম পালনে আমার খুব বেশি দুর্বলতা নেই। এই উৎসবটা আমার কাছে সংস্কৃতির পর্যায়ে পড়ে। তাই পূজা-পার্বণের চেয়ে উৎসবে খাওয়া-দাওয়াটাই আমি বেশি প্রাধান্য দিই। আমি আসলে ভোজনরসিক। পূজার বিভিন্ন পদের খাবার-দাবার খেতেই বেশি ভালো লাগে।

আসছে দুর্গাপূজা। বছরজুড়ে এই দুর্গাপূজাকে ঘিরেই হিন্দুসম্প্রদায়ের মধ্যে চলতে থাকে নানাপরিকল্পনা। কে কোথায় কীভাবে দুর্গাপূজা উদ্যাপন করবেন এই নিয়েই মূলত চলতে থাকে নানাপরিকল্পনা। পাশাপাশি কোথায় কে কী কেনাকাটা করবেন তাও থাকে পরিকল্পনায়। উৎসবটি হিন্দুসম্প্রদায়ের হলেও এর সঙ্গে মিশে আছে বাঙালির ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি। তারকাদের দুর্গাপূজার নানাভাবনা নিয়েই তৈরি বিশেষ এই আয়োজন।

জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায় [ অভিনেতা ]


আমি একেবারেই পরিকল্পনাহীন মানুষ। আজকে সূর্য উঠলে আজকেই ঠিক করি, কী করব। আর ধর্ম পালনে আমার খুব বেশি দুর্বলতা নেই। এই উৎসবটা আমার কাছে সংস্কৃতির পর্যায়ে পড়ে। তাই পূজা-পার্বণের চেয়ে উৎসবে খাওয়া-দাওয়াটাই আমি বেশি প্রাধান্য দিই। আমি আসলে ভোজনরসিক। পূজার বিভিন্ন পদের খাবার-দাবার খেতেই বেশি ভালো লাগে। 

 
উর্মিলা শ্রাবন্তী কর [ অভিনেত্রী ]


বছরের দুটি উৎসব আমার ভীষণ প্রিয় একটি হচ্ছে ঈদুল ফিতর অন্যটি হচ্ছে দুর্গাপূজা। ঈদ ফিতরের সময়টা আমি চট্টগ্রামে কাটাই। আর পূজার সময়টুকু ঢাকাতে। বলতে পারেন কেন? আমার মুসলমান বন্ধুবান্ধব সব থাকে চট্টগ্রামে। তাই তাদের সঙ্গে সময় কাটাতেই মূলত চট্টগ্রামে যেতে হয় আমাকে। অন্যদিকে আমার বাবা-মা যেহেতু ঢাকায় থাকেন তাই পূজার সময়টুকু আমাকে ঢাকাতেই থাকতে হয়। সেইসময় আমি ভীষণ মিস করি আমার চট্টগ্রামের বন্ধুবান্ধবদের। ওদের আমি সবসময়ই বলি পূজার সময় ঢাকায় চলে আসতে, কিন্তু ওরা আসে না। তাই কিছুটা মন খারাপ থাকে বন্ধুবান্ধবদের জন্য। পূজার সময় আমি অনেকবারই দুর্গা মা সেজেছি।  

মৌটুসী বিশ্বাস [ অভিনেত্রী ] 


আমি চট্টগ্রামের মেয়ে। জীবনের বেশিরভাগ সময়ের দুর্গাপূজার সময় কাটিয়েছি আমি চট্টগ্রামেই। তবে বিয়ের পর সেভাবে আর যাওয়া হয়ে উঠেনি। এখন তো বাবা-মা দু’জনেই ঢাকায় থাকার কারণে চট্টগ্রামে যাওয়া হয় না। স্বামী, সন্তান, বাবা-মা সবাইকে সঙ্গে নিয়ে দশমীর দিন ঘুরে বেড়ানোর ইচ্ছে আছে। 


চঞ্চল চৌধুরী [ অভিনেতা ]


আমার গ্রামের বাড়ি পাবনার সুজানগরের কামারহাট গ্রামে। এই গ্রামেই আমার ছোটবেলা কেটেছে। গ্রামের মাটি মানুষ এখনো আমাকে গভীরভাবে টানে। কিন্তু সময়ের অভাবে যাওয়াই হয় না। তাই এবার একটু আগে থেকেই পরিকল্পনা করেছি যে, এমনভাবে শুটিং করব যেন দশমীর দিনটিতে বাড়িতে থাকতে পারি। দেখা যাক কী হয়। ছোটবেলায় পূজায় অনেক মজা করতাম। তবে বয়স যত বেড়েছে দায়িত্ব বেড়ে যাওয়ায় ছোটবেলার মতো মজা না করতে পারলেও দুষ্টামি করার শিশুসুলভ মনটা মাঝে মাঝে নাড়া দিয়ে উঠে। 

দেবাশীষ বিশ্বাস [ চিত্রপরিচালক ]


সাধারণত সপ্তমী, অষ্টমী, নবমী আর দশমীÑএই চারদিন আমি কোনো কাজ রাখি না। অনেকে পূজায় লোক সমাগমে যেতে আপত্তি করে কিন্তু আমি এই চারদিন সবখানেই পূজা দেখে বেড়াই। এলাকা ভাগ ভাগ করে তবেই আমার প্রতিমাদর্শনপর্ব শুরু হয়। সপ্তমীর দিন ঢাকেশ্বরী মন্দির, জগন্নাথ হল, রমনা কালীমন্দিরে প্রতিমা দেখি। অষ্টমীতে অর্ধেক বেলা কলাবাগান পূজাম-পে এবং বিকালে থেকে রাত অবধি থাকি বনানী মাঠে। আমি এই দুই জায়গার পূজা কমিটির সদস্য। নবমীতে পুরান ঢাকার তাঁতিবাজার, শাঁখারীবাজারসহ সকল ম-পের কোথাও বাদ রাখি না পূজা দেখতে।

জ্যোতিকা জ্যোতি [ অভিনেত্রী ]


ময়মনসিংহকে অনেকেই পূজার শহর বলে থাকেন। এই পূজার শহরেরই মেয়ে আমি। আমার যতদূর মনে পড়ে দুর্গাপূজার সময়টুকু আমি কখনোই বাড়ির বাইরে থাকিনি। সবসময় পরিবারের সঙ্গে পূজার সময়টুকু উদ্যাপন করার চেষ্টা করেছি। ভাই-বোন-বাবা-মা সবার সাথে মজা করব পূজাতে। বছরের এই সময়টুকুতে আমি বন্ধু-বান্ধবদের একটু বেশি সময় দেওয়ার চেষ্টা করি। আমার কাছে কেন যেন মনে হচ্ছে এবারের পূজাতে অন্যান্যবারের চেয়ে একটু বেশিই মজা হবে। পূজার সাজের মধ্যে শাড়ি তো আমার প্রথম পছন্দ।