যৌতুক না পেয়ে গৃহবধূর যৌনাঙ্গে পেট্রোল ঢেলে আগুন

যৌতুক না পেয়ে গৃহবধূর যৌনাঙ্গে পেট্রোল ঢেলে আগুন
যৌতুক না পেয়ে গৃহবধূর যৌনাঙ্গে পেট্রোল ঢেলে আগুন
ইয়াছমিনের পরিবার থেকে জানা যায়, প্রায়ই স্বামী রাসেল তাকে যৌতুকের জন্য নির্যাতন করতেন। ঘটনার আগের রাতেও তাদের মধ্যে যৌতুক নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে ভোররাতের দিকে রাসেল স্ত্রীর গায়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেন। রাসেল ও ইয়াছমিনের আট বছরের সংসার জীবন। তাদের পাঁচ বছরের একটি ছেলেও আছে।

চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় ইয়াছমিন আক্তার (৩০) নামে এক গৃহবধূকে যৌতুক দাবি করে না পাওয়ায় শুক্রবার ভোরের দিকে পেট্রোল ঢেলে তার যৌনাঙ্গ ঝলসে দেওয়া হয়। ঘটনাটি ঘটে উপজেলার কোদালা ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ড গোয়ালপুরা গ্রামে।

 

ঘটনার পর মেয়েটি কে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়। মেয়েটির শরীরের ৪০ শতাংশ পুড়ে গেছে। শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাাজনক বলে জানায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। 

 

ইয়াছমিন আক্তার চন্দ্রঘোনা- কদমতলি ইউনিয়নের নবগ্রাম এলাকার হারুনুর রশিদের মেয়ে। ঘটনার দিনই হারুনুর রশিদ সাহেব অভিযুক্ত জামাতা রাসেলের(৩০) বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। কিন্তু ঘটনার পর থেকেই আসামী রাসেল পলাতক ছিলেন। পরবর্তীতে বিকেলের দিকে রাঙ্গুনিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে থেকে পলাতক আসামি রাসেলকে পুলিশ গ্রেফতার করে। 

 

ইয়াছমিনের পরিবার থেকে জানা যায়, প্রায়ই স্বামী রাসেল তাকে যৌতুকের জন্য নির্যাতন করতেন। ঘটনার আগের রাতেও তাদের মধ্যে যৌতুক নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে ভোর রাতের দিকে রাসেল স্ত্রীর গায়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেন। রাসেল ও ইয়াছমিনের আট বছরের সংসার জীবন। তাদের পাঁচ বছরের একটি ছেলেও আছে।

 

ইয়াছমিনের বাবা হারুনুর রশিদ মেয়ের প্রতি অমানবিক নির্যাতনের জন্য আসামির কঠোর শাস্তির দাবি করেন। এ ব্যাপারে পুলিশ জানায়, তারা মেয়েটিকে চমেক হাসপাতালে দেখে এসেছেন। অভিযুক্ত আসামির বিরুদ্ধে তারা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে আশ্বাস দেন।