বৃহস্পতিবার,১৮ জানুয়ারী ২০১৮
হোম / বিবিধ / রাশিফল ২০১৮ঃ নতুন বছরে কেমন যাবে আপনার স্বাস্থ্য?
০১/০৮/২০১৮

রাশিফল ২০১৮ঃ নতুন বছরে কেমন যাবে আপনার স্বাস্থ্য?

-

মেষরাশি
মেষরাশির জাতক-জাতিকাকে সুন্দর ও সুগঠিত স্বাস্থ্যের অধিকারী হলেও স্বাস্থ্যসম্পর্কে সচেতন থাকা জরুরি। এ-বছর পেটের পীঁড়ায় ভোগার সম্ভাবনা রয়েছে। অনিদ্রা ও মানসিক দুশ্চিন্তা থেকে অন্যান্য শারীরিক জটিলতার সৃষ্টি হতে পারে। শরীরে ছোটখাটো অস্ত্রোপচারের সম্ভাবনা আছে।

বৃষরাশি
সুস্বাস্থ্য ও সুন্দর দৈহিক কাঠামো বৃষরাশির জাতক-জাতিকার সেরা সম্পদ। তবে একবার রোগে পড়লে সহজে আরোগ্য হতে চায় না। এ রাশির জাতক-জাতিকার সর্বাপেক্ষা দুর্বলতম অঙ্গ হলো গলা। গলা সম্পর্কে এঁদের খুবই সাবধান হওয়া প্রয়োজন। হৃদরোগে ভুগবার সম্ভাবনাও আছে। এবছর সড়কপথে সাবধানে চলাচলের পরামর্শ থাকল।

মিথুনরাশি
মিথুন রাশির জাতক-জাতিকারা শারীরিকভাবে খুব সক্রিয়। তবে স্নায়ু, ফুসফুস এবং হৃদযন্ত্র এঁদের শরীরের দুর্বলতম অঙ্গ। এই রাশির অধিকারী জাতক-জাতিকা নিজের স্বাস্থ্য, সৌন্দর্য ও পোশাক-পরিচ্ছদ সম্পর্কে খুব একটা সচেতন নন। হজমের গোলমাল পেটের উপরের অংশে পীড়া, চর্মরোগ প্রভৃতি দেখা দিতে পারে।

কর্কটরাশি
এ রাশির জাতক-জাতিকাদের পেটের অসুখে ভুগবার প্রবণতা আছে। গ্যাস্ট্রিক, মূত্রাশয়ের ব্যাধি, হজমের গোলমাল প্রভৃতিতে ভুগতে পারেন। অতিরিক্ত পানাসক্ত যারা, তাদের জন্য গুরুতর কোনো রোগের সম্ভাবনা আছে। আর সব এমনিতে ঠিক যাওয়ার কথা।

সিংহরাশি
জীবনীশক্তি ও বলিষ্ঠ দেহের অধিকারী হলেও এ রাশির জাত-জাতিকাদের শরীরে রোগ যেন লেগেই থাকে। দুর্বলতম অঙ্গ হচ্ছে হৃদযন্ত্র ও মেরুদণ্ড। হৃদযন্ত্রের দুর্বলতা মূর্ছা, বুক ধড়ফড়ানি, কান ও মাথায় যন্ত্রণা, কিডনিসংক্রান্ত কোনো ব্যাধি এবং পায়ে কোনো ব্যাধিতে আক্রান্ত হতে পারেন।

কন্যারাশি
এমনিতেই নমনীয় ও মজবুত শারীরিক গঠন। এ রাশির জাতক-জাতিকারা মানসিক সমস্যায় ভুগতে পারেন বেশি। বিশেষ করে হতাশা কাজ করবে নানাকারণে। রোগ না থাকলেও অনেক সময়ে মনের মধ্যে রোগ পুষে রাখার প্রবণতা আপনার মধ্যে দেখা দিতে পারে।

তুলারাশি
স্নায়ুবিক দুর্বলতা এবং প্রচুর মাথা ব্যথায় ভোগার সম্ভাবনা রয়েছে। চক্ষু ও দন্ত ভালো থাকার সম্ভাবনা কম। তাই চক্ষু ও দন্ত মাথাব্যথা তথা মস্তিষ্কসংক্রান্ত ব্যাধি থেকে সাবধানতা অবলম্বন করা প্রয়োজন। নানাপ্রকার চর্মরোগ দেখা দিতে পারে। নারী হলে অভ্যন্তরীণ প্রদাহ এবং প্রদর দেখা দিতে পারে।

বৃশ্চিক রাশি
এ রাশির জাতকদের ভেতর কিডনি ও হৃদপিণ্ডের দুর্বলতাসংক্রান্ত রোগ দেখা দিতে পারে। আর জাতিকারা পেটের সমস্যায় ভুগবেন। বিশেষ করে কিশোরীরা পিরিয়ডজনিত কষ্টে থাকবেন। তবে সামান্য সর্দিকাশি ছাড়া আর কোনো জটিলতা আসার কথা না।

ধনুরাশি
এ রাশির জাতক-জাতিকার জন্য বাত-জাতীয় ব্যাধির আক্রমণের সম্ভাবনা থাকে। তাছাড়া কণ্ঠ, ফুসফুস এবং পেটের দুর্বলতাজনিত কোনো ব্যাধিতে ভুগতে পারেন। ফোঁড়া, কারবাঙ্কল, চর্মরোগ, স্নায়ুবিক দুর্বলতা প্রভৃতিও দেখা দিতে পারে। শেষ বয়সে উচ্চ রক্তচাপ, পক্ষাঘাত, সাইটিকা, কটিবাত ইত্যাদি ব্যাধিতে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কোনো প্রকার শারীরিক দুর্ঘটনার সম্মুখীনও হতে পারেন।

মকররাশি
আপনার বাত, পায়ের কোনো প্রকার ব্যাধি, লিভারের ব্যাধি প্রভৃতি দেখা দিতে পারে। দাঁত, কান ও চক্ষু রোগাক্রান্ত হতে পারে। বদহজম চর্মরোগ কিডনিসংক্রান্ত ব্যাধি বহুমূত্র এবং হৃদযন্ত্রের দুর্বলতাজনিত কোনো রোগে আপনি আক্রান্ত হতে পারেন। সুন্দর সুগঠিত দেহের অধিকারী বলে আপনাকে মনে হলেও রোগ আপনাকেই সহজে আক্রমণ করবে সুতরাং শরীর সম্পর্কে বিশেষ সাবধানতা অবলম্বন একান্ত প্রয়োজন।

কুম্ভরাশি
কুম্ভরাশির পুরুষেরা সাধারণত সুন্দর সুগঠিত দেহের অধিকারী হয়ে থাকেন। তবে এদের পায়ের গাঁট ও হাঁটুর নিচের গাঁট দেহের দুর্বল অঙ্গ। স্নায়ুবিক দুর্বলতা, রক্তচাপ, মাথাব্যথা প্রভৃতি ব্যাধিতে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা আছে। সহজে ঠান্ডা লাগার প্রবণতা দেখা দিতে পারে। পেট ও পাকস্থলি, কিডনি তথা মূত্রথলি এবং যকৃত রোগাক্রান্ত হতে পারে। মহিলাদের প্রদর বা অন্য কোনো প্রকার স্ত্রীরোগ এবং হাত-পা জ্বালা প্রভৃতি ব্যাধি হতে পারে।

মীনরাশি
চক্ষু এবং পা মীনের দুর্বলতম অঙ্গ। স্নায়ুবিক দুর্বলতা, অনিদ্রা, রক্তহীনতা বাতপিত্তজনিত ব্যাধিতে আক্রান্ত হতে পারেন। অপরিমিত ভোজনের জন্য পেটের গোলযোগ দেখা দিতে পারে। আন্ত্রিক গোলযোগ এবং রক্ত সঞ্চালনের ব্যাঘাত সৃষ্টি হতে পারে। প্রথম থেকেই বিশেষ সাবধানতা অবলম্বন করলে আপনার স্বাস্থ্য ভালোই যাবে। সহজে ঠান্ড লাগা খুবই স্বাভাবিক। জল ও ঠান্ডা থেকে সর্তক থাকা উচিত।