বুধবার,২৬ Jul ২০১৭
হোম / বিনোদন / তারকাদের ঈদ আনন্দ
০৬/২১/২০১৭

তারকাদের ঈদ আনন্দ

-

‘রমজানের ওই রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ’। দীর্ঘ একমাস সিয়াম সাধনার পর আসবে বহুল আকাঙ্ক্ষিত ঈদ-উল-ফিতর। পরিবার-পরিজন নিয়ে সবাই মেতে উঠবেন ঈদের আনন্দে। অন্য সবার মতো এই আনন্দ ছুঁয়ে যায় তারকাদেরও। আজ আমরা শুনবো তারকাদের ‘ঈদ-আনন্দের’ গল্প।

মাসুমা রহমান নাবিলা
‘আয়নাবাজির’ নায়িকার ঈদের সকালটা কাটে পরিবারের সঙ্গেই। সকালে হরেকরকমের নাস্তা মাধ্যমেই দিনটা শুরু হয় বলেই জানান নাবিলা। “সকালে বাসার সবাই একসঙ্গে নাস্তা করি। সারাদিন মোটামুটি বাসাতেই থাকা হয়। বিকালের দিকে বের হই। বন্ধুদের বাসায় দাওয়াতে যাওয়া হয়। বেশিরভাগ সময় সালোয়ার কামিজই পরা হয়। এবার যে গরম, তাতে শাড়ি পরার অবস্থাও নেই! বাসায় খুব একটা না সাজলেও রাতের দাওয়াতের সময় একটু সাজগোজ করা হয়।”

দেশের বাইরে বেড়ে ওঠা নাবিলার শৈশবের ঈদ কেটেছে একটু ভিন্নভাবেই, “আসলে সবার ছোটবেলার ঈদে যেমন দাদুবাড়ি-নানুবাড়ির স্মৃতি থাকে, আমার তেমনটা নেই। বিদেশের বাঙালি কমিউনিটির বন্ধুদের সঙ্গেই দিনটা পেরিয়ে যেত। এখন মনে হয় শৈশবের ঈদগুলো বাংলাদেশে হলে মন্দ হতো না!”

ফেরদৌস আহমেদ
ঈদের দিন সাধারণত পরিবারের সঙ্গেই কেটে যায় ফেরদৌসের। স্ত্রী-বাচ্চাদের সঙ্গেই উদ্যাপন করেন দিনটি বলে জানান তিনি। “সকালে উঠে নামাজে যাই। এই কারণে পাঞ্জবিটাই বেশি পরা হয়। এরপর খাওয়াদাওয়া করা হয়, মেহমান আপ্যায়নও। ছোটদের সালামি দেওয়া হয়। সন্ধ্যার পর আত্মীয়দের বাসায় দাওয়াতে যাই। এভাবেই ঈদের দিনটা কাটে।”

ছোটবেলার ঈদটা বেশি মজার ছিল বলেই জানান ফেরদৌস, “আসলে তখন ঈদের আমেজটাই ভিন্ন ছিল। সালামির জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করে থাকতাম। বন্ধুদের সঙ্গে ঘোরাঘুরিও হতো অনেক। বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এই ব্যাপারগুলো কমে গেছে। মিস করি সেই দিনগুলোকে।”

ফারহান আহমেদ জোভান
শুটিংয়ের ব্যস্ততায় পরিবারের সঙ্গে খুব বেশী সময় কাটানোর সুযোগ পান না অন্যসময়। ঈদের দিনটা তাই পরিবারকে সময় দেন জোভান। “সকালে পাঞ্জাবি পরে নামাজে যাওয়া হয়। এসে সারাদিন বাসাতেই থাকা হয়। আত্মীয়স্বজনরা আসে, ছোটদের সালামি দেওয়া হয়। খাওয়াদাওয়াও প্রচুর হয় এদিন। বিকালের দিকে বন্ধুদের সঙ্গে বের হই, দাওয়াত থাকলে সেখানে যাওয়া হয়।”

ছোটবেলার ঈদ অনেক বেশি মিস করেন তিনি, “শৈশবের ঈদই সেরা। তখন সালামি নিয়ে অনেক উত্তেজনা কাজ করত। সবার বাসায় যেতাম দল বেঁধে।”

সুমন পাটোয়ারি
ভোজনরসিক সুমন পাটোয়ারির ঈদ কাটে খাওয়াদাওয়া আর টিভি দেখেই, “ঈদের শপিংয়ে একেবারেই যাই না। আমার মাপের পাঞ্জাবি পাওয়া তো কঠিন! তাই আম্মা প্রতিবারই আমার জন্য পাঞ্জাবি বানিয়ে আনেন। সেটা পরেই নামাজে যাই। আমি যা দেখি সেটাই খাই। তাই এদিন খাওয়ার উপরেই থাকি, মিষ্টি-ঝাল যা পাই! আর টিভিতে চ্যানেল বদলাতে বদলাতেই দিন পার হয়ে যায়। দাওয়াতে খুব একটা যাওয়া হয় না।”

ঈদের পরের দিন বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরতে বের হন, “ঈদের পরের দিন দেখা যায় খানিকটা ঘুরাঘুরি হয়। ছোটবেলায় তো সালামির আশায় বসে থাকতাম, কার কত উঠবে! এখন তো বড় হয়ে গেছি, তাই ওই মজাটা আর নেই। ঈদের সময় ওই বাড়তি টাকা হাতে আসলে দারুণ লাগত।”

- ফাহিম মাশরুর